Home স্বাস্থ কথা যা খেলে আপনার দৃষ্টি শক্তি তীক্ষ্ণ থাকবে পুরো জীবন

যা খেলে আপনার দৃষ্টি শক্তি তীক্ষ্ণ থাকবে পুরো জীবন

253

একজন মানুষের জিবনে দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পুরণ করতে পারে এই কচুর শাক। কচুর শাকের ভর্তা ও তরকারি বেশি জনপ্রিয়। অনেক বেশি সহজ লভ্যতার কারনে এই শাক কে অনেকেই গুরুত্ব দিতে চায়না।

রাতকানা এবং ভিটামিন এ এর অভাবজনিত সকল রোগের জন্য কচু শাক খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া প্রচুর আয়রন বিদ্যমান আছে বলে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। কচু শাক আমাদের রক্তে হিমোগ্লোবিন এর পারিমান বাড়ায় বলেই রক্ত সল্পতার কারনে ডাক্তাররাও কচুর শাক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থকেন।

পুষ্টিগুণের উৎস কচু শাক এবং এর উপকারিতা:
প্রতি ১০০ গ্রাম কচু শাকে আপনি পবেন শর্করা ৬.৮ গ্রাম, প্রোটিন ৩.৯ গ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ১২ মিলিগ্রাম, ‘থায়োমিন’ ০.২২ মিলিগ্রাম, ১.৫ গ্রাম স্নেহ, ২২৭ মিলিগ্রাম ক্যলসিয়াম এবং ৫৬ কিলোক্যালোরি খাদ্যশক্তি থাকে।
কচুশাক আমাদের দেশে অতি পরিচিত একটি শাক এবং এর জনপ্রিয়তাও কিন্তু কম নয়। ভিটামিন এ এর অভাবে হওয়া সকল রেগের জন্য অত্যান্ত কার্যকর। আমাদের দেশে সাধারনত এটি সচারাচার পাওয়া যায়। এটি বিভিন্ন ভবে পরিবেশন করা যায়।

 

এছাড়াও ভিটামিন বি এবং সি আছে বলেই মুখ এবং ত্বকের রোগ প্রতিরেধে কার্যকারী ভূমিকা পালন করে। কচুর শাক হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুকি কমায় কারণ এতে প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে। আসুন আমরা প্রচুর কচুর শাক খাই,সুস্থতাই দিন কাটায়।

Facebook Comments