Home অাইন আদালত কোরবানির মাংস নিরাপদ রাখায় করণীয়

কোরবানির মাংস নিরাপদ রাখায় করণীয়

134
Keep the sacrificial meat safe

পশু পালনকারীর জন্য করণীয় :

*স্বাস্থ্যসম্পমত ও নিরাপদ উপায়ে কোরবানির  পশু পালন করুন।

*চিকিসকের পরামর্শ ব্যতীত স্টেরয়েড, হরমোন, এন্টিবায়োটিক ইত্যাদি ঔষধ ব্যবহার করবেন না।

*কোরবানির জন্য রোগাক্রান্ত পশু ক্রয় বিক্রয় থেকে বিরত থাকুন।

*এন্টিবায়োাটিক দ্বারা চিকিতসা করা হলে ঔষদের প্রত্যহারকাল শেষ হ্ওয়া পর্যন্ত পশু বিক্রয় থেকে বিরত থাকুন

বিক্রেতা গণের জন্য করনীয়

*কোরবানির হাটে পশু অসুস্থ হরে নিকটস্থ প্রানী চিকিতসককে অবহিত করুন।

*নিরাপদ খাদ্য আিইন 2013  এর আওতায় নিরাপদ খাদ্যবিরোধী কার্য ও অপরাধের জন্য ৫ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড অথবা ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে।

ক্রেতাগনের জন্য করনীয়

*কোরবানির জন্য সুস্থ্য সবল পশু ক্রয় করুন। সুস্থ পশু বাহ্যিক ভাবে চেনার উপায় : সতেজ, স্বাভাবিক ভঙ্গি, জাবর কাটা, নাকের নীচের লোমবিহীন অংশে (মাজল) ভেজা ভাব বা উজ্জল চেহারা।

*কোরবানির জন্য প্রাপ্ত বয়স্ক পশু যেমন – অনূন্য ২ বছর বয়সের গরু এবং অনূন্য ১ বছর বয়সের ছাগল / ভেড়া ক্রয় করুন।

*কোরবানির জন্য গর্ভবতী পশু কয় থেকে বিরত থাকুন, প্রয়োজনে নিকটস্থ প্রানী চিকিতসকের সহায়তা নিন।

*কোরবানির পশুকে জাবায়ের ১২ ঘন্টা পূর্ব থেকে পানি ব্যাতিত অন্য কোন খাবার খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।

*সংক্রমক ব্যাধি মুক্ত দক্ষ ব্যক্তি দ্বারা পরিচ্ছন্ন পরিবেশে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করুন।

*পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতকরণে পরিষ্কার ও জীবানু মুক্ত ছুরি, দা বটি ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ব্যবহার করুন।

*পশুর চামড়া ছাড়ানো ও মাংস কাটার সময় মাংস যেন সরাসরি মাটি, ধুলাবালি বা অন্যান্য আবর্জনার সংস্পর্শে না আসে এবং কুকুর বিড়াল, হাসমুরগি, পোকামাকড়, মাছি বা অন্যান্য পোষ্য প্রানী দ্বারা মাংস যাতে দূষিত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

*মাংসপ্রস্তুতের সময় রোগাক্রান্ত অংশ যেমন সিস্ট, অস্বাভাবিক বড় লসিকাগ্রন্থি, সিমেনটর মত শক্ত কলিজার কোন অংশ ইত্যাদি পা্ওয়া গেলে সতর্কতার সাথে সে অংশটুকু পৃথক করে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে মাটিতে পুতে ফেলুন অথবা বিনষ্ট করে ফেলুন।

*কাচা মাংস  স্বাভাবিক তাপমাত্রা চার ঘন্টার বেশি রাখবেন না। যত দ্রুত সম্ভব রান্না করুন অথবা মাংস স্বল্প সময়ের জন্য সংরক্ষণ করতে চাইলে রেফ্রিজারেটরে 5ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নীচে রাখুন এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষন করতে চাইলে রেফ্রিজারেটরে ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নীতেচ রাখুন এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করতে চাইলে ডিপফ্রিজে মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নীচের তাপমাত্রায় রাখুন।  প্রতিবারের রান্নার উপযোগী পরিমান মাংস সতন্ত্র প্যাকেটে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করুন।

*মাংস সঠিক তাপে ভালোভাবে সিদ্ধ করে রান্না করুন। এতে মাংসে কোন ক্ষতিকর জীবানু থাকলে নষ্ট হয়ে যাবে।

*কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারন করে নির্ধারিত স্থানে ফেলুন।

সুত্র : বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, খাদ্য মন্ত্রণালয়।

Facebook Comments